حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ شَبُّويَةَ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ النَّحْوِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، ( يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ ) فَكَانَ النَّاسُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذَا صَلَّوُا الْعَتَمَةَ حَرُمَ عَلَيْهِمُ الطَّعَامُ وَالشَّرَابُ وَالنِّسَاءُ وَصَامُوا إِلَى الْقَابِلَةِ فَاخْتَانَ رَجُلٌ نَفْسَهُ فَجَامَعَ امْرَأَتَهُ وَقَدْ صَلَّى الْعِشَاءَ وَلَمْ يُفْطِرْ فَأَرَادَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يَجْعَلَ ذَلِكَ يُسْرًا لِمَنْ بَقِيَ وَرُخْصَةً وَمَنْفَعَةً فَقَالَ سُبْحَانَهُ ( عَلِمَ اللَّهُ أَنَّكُمْ كُنْتُمْ تَخْتَانُونَ أَنْفُسَكُمْ ) . وَكَانَ هَذَا مِمَّا نَفَعَ اللَّهُ بِهِ النَّاسَ وَرَخَّصَ لَهُمْ وَيَسَّرَ .
বর্ণনাকারী: আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
২৩০৭. আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন শাবওয়া ..... ইবন আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। (আল্লাহ বাণীঃ) (অর্থ) ’’হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য সিয়াম ফরয করা হয়েছে, যেমন তা পূর্বববতীদের জন্য ফরয করা হয়েছিল।’’ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে লোকেরা যখন এশার নামায আদায় করতো, তখন তাদের জন্য পানাহার ও স্ত্রী সহবাস হারাম হয়ে যেত এবং তারা পরবর্তী রাত পর্যন্ত রোযা রাখত। তখন এক ব্যক্তি নিজের নফসের প্রতি খিয়ানত করে স্বীয় স্ত্রীর সাথে সহবাস করে। অথচ সে এশার নামায আদায় করেছিল, কিন্তু ইফতার করেনি, (অর্থাৎ সন্ধ্যার পর কোন খাদ্য গ্রহণ করেনি)। এরপর আল্লাহ্ তা’আলা এ নির্দেশ অন্যদের জন্য সহজ, স্বেচ্ছাধীন ও উপকারী করার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ (অর্থ) ’’আল্লাহ্ জানেন, তোমরা তোমাদের নফসের প্রতি (পানাহার ও সহবাসের দ্বারা) খিয়ানত করেছিলে।’’ আর এ নির্দেশ দ্বারা আল্লাহ্ মানুষের উপকার করেছেন এবং এটা তাদের জন্য সহজ ও স্বেচ্ছাধীন করেছেন।
