حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ التَّمِيمِيُّ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ جِئْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ جَالِسٌ فِي ظِلِّ الْكَعْبَةِ . قَالَ فَرَآنِي مُقْبِلاً فَقَالَ " هُمُ الأَخْسَرُونَ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . قَالَ فَقُلْتُ مَا لِي لَعَلَّهُ أُنْزِلَ فِيَّ شَيْءٌ . قَالَ قُلْتُ مَنْ هُمْ فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هُمُ الأَكْثَرُونَ إِلاَّ مَنْ قَالَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا " . فَحَثَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَعَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ . ثُمَّ قَالَ " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ يَمُوتُ رَجُلٌ فَيَدَعُ إِبِلاً أَوْ بَقَرًا لَمْ يُؤَدِّ زَكَاتَهَا إِلاَّ جَاءَتْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمَ مَا كَانَتْ وَأَسْمَنَهُ تَطَؤُهُ بِأَخْفَافِهَا وَتَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا كُلَّمَا نَفِدَتْ أُخْرَاهَا عَادَتْ عَلَيْهِ أُولاَهَا حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ " . وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مِثْلُهُ . وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضى الله عنه قَالَ لُعِنَ مَانِعُ الصَّدَقَةِ . وَعَنْ قَبِيصَةَ بْنِ هُلْبٍ عَنْ أَبِيهِ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي ذَرٍّ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَاسْمُ أَبِي ذَرٍّ جُنْدُبُ بْنُ السَّكَنِ وَيُقَالُ ابْنُ جُنَادَةَ . حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُنِيرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ حَكِيمِ بْنِ الدَّيْلَمِ عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ قَالَ الأَكْثَرُونَ أَصْحَابُ عَشَرَةِ آلاَفٍ . قَالَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُنِيرٍ مَرْوَزِيٌّ رَجُلٌ صَالِحٌ .
বর্ণনাকারী: আবূ যার আল-গিফারী (রাঃ)
৬১৫. হান্নাদ ইবনুস্ সারী আত্-তামীমী আল্- কূফী (রহঃ) ........ আবূ যার্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম, এই সময় তিনি কা’বা শরীফের ছায়ায় উপবিষ্ট ছিলেন। তিনি আমাকে সামনে দেখে বলতে লাগলেনঃ কাবা’র রবের কসম! কিয়ামতের দিন এরাই হবে অধিকতর ক্ষতিগ্রস্ত। আবূ যার্ (রাঃ) বলেন , আমি মনে মনে ভাবলাম, কী হল আমার, আমার ব্যাপারে হয়ত কিছু নাযিল হয়েছে। যা হোক আমি বললাম, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান হউক, এরা কারা? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এরা হল অধীক সম্পদের অধিকারী ব্যক্তিগণ, কিন্তু যারা এরূপ করে তারা ছাড়া। এরপর তিনি সামনে ডানে বামে দুই হাতে অঞ্জলী ভরে ইশারা করে দেখালেন। তিনি আরো বললেনঃ কসম সে সত্তার যার হাতে আমার প্রাণ! কোন ব্যক্তি যদি উট বা গরু রেখে মারা যায় আর এগুলোর যাকাত আদায় না করে যায় তবে সেগুলো কিয়ামতের দিন আরো বেশী মোটা-তাজা হয়ে আসবে এবং ঐ ব্যক্তিকে পায়ের খুরে দলিত করবে এবং শিং দিয়ে গুতোতে থাকবে। যখনই শেষেরটির কাজ শেষ হবে, তখনই প্রথমটি আবার শুরু করবে। সব মানুষের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্তএরূপই চলতে থাকবে। - তা’লীকুর রাগীব ১/২৬৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৬১৭ [আল মাদানী প্রকাশনী] এই বিষয়ে আবূ হুয়ারার (রাঃ) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত আছে। আলী ইবনু তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, যাকাত অস্বীকারকরীকে লা’নত করা হয়েছে। কাবীসা ইবনু হুলব তদীয় পিতা হুলবের বরাতে এবং জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও আবদুল্লাহ ইবনু মাসুদ (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেন, আবূ যার্ (রাঃ) বর্ণিত হাদিসটি হাসান-সহীহ। আবূ যার্ (রাঃ) এর নাম হল, জুনদাব ইবনুু’স সাকান। কেই কেউ বলেন, ইবনু জুনাদা। আবদুল্লাহ্ ইবনু মুনীর (রহঃ) যাহ্হাক ইবনু মুযাহিম (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, অধিক সম্পদশালী হল তারা যাদের কাছে দশ হাজার (বা তকোধিক দিরহাম) আছে। - সহিহ মাকতু অর্থাৎ যাহহাকের উপর মাওকুফ। আবদুল্লাহ্ ইবনু মুনীর মারওয়াযী একজন সৎব্যক্তি।
