লোড হচ্ছে…
লোড হচ্ছে…
النجم
নক্ষত্র (An-Najm) · ৬২ আয়াত · মক্কী
﷽
وَالنَّجۡمِ اِذَا هَوٰىۙ
ওয়ান্নাজমি ইযা-হাওয়া-।
ভাবো তারকার কথা, যখন তা অস্ত যায়!
مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمۡ وَمَا غَوٰىۚ
মা-দাল্লা সা-হিবুকুম ওয়ামা-গাওয়া-।
তোমাদের সঙ্গী দোষ-ত্রুটি করেন না, আর তিনি বিপথেও যান না,
وَمَا يَنۡطِقُ عَنِ الۡهَوٰىؕ
ওয়ামা-ইয়ানতিকু‘আনিল হাওয়া-।
আর তিনি ইচ্ছামত কোনো কথা বলেন না।
اِنۡ هُوَ اِلَّا وَحۡىٌ يُّوۡحٰىۙ
ইন হুওয়া ইল্লা-ওয়াহইঊ ইয়ূহা-।
এইখানা প্রত্যাদিষ্ট হওয়া প্রত্যাদেশবাণী বৈ তো নয়, --
عَلَّمَهٗ شَدِيۡدُ الۡقُوٰىۙ
‘আল্লামাহূশাদীদুল কুওয়া-।
তাঁকে শিখিয়েছেন বিরাট শক্তিমান --
ذُوۡ مِرَّةٍؕ فَاسۡتَوٰىۙ
যূ মিররাতিন ফাছতাওয়া
বলবীর্যের অধিকারী। কাজেই তিনি পরিপূর্ণতায় পৌঁছলেন।
وَهُوَ بِالۡاُفُقِ الۡاَعۡلٰى ؕ
ওয়া হুওয়া বিলউফুকিল আ‘লা-।
আর তিনি রয়েছেন ঊর্ধ্ব দিগন্তে।
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلّٰىۙ
ছু ম্মা দানা-ফাতাদাল্লা-।
তারপর তিনি সন্নিকটে এলেন, অতঃপর তিনি অবনত করলেন,
فَكَانَ قَابَ قَوۡسَيۡنِ اَوۡ اَدۡنٰىۚ
ফাকা-না কা-বা কাওছাইনি আও আদনা-।
তখন তিনি দুই ধনুকের ব্যবধানে রইলেন, অথবা আরও কাছে।
فَاَوۡحٰۤى الٰى عَبۡدِهٖ مَاۤ اَوۡحٰىؕ
ফাআওহাইলা-‘আবদিহী মাআওহা-।
তখন তিনি তাঁর বান্দার কাছে প্রত্যাদেশ করলেন যা তিনি প্রত্যাদেশ করেন।
مَا كَذَبَ الۡفُؤَادُ مَا رَاٰى
মা-কাযাবাল ফুআ-দুমা-রাআ-।
হৃদয় অস্বীকার করে নি যা তিনি দেখেছিলেন তাতে।
اَفَتُمٰرُوۡنَهٗ عَلٰى مَا يَرٰى
আফাতুমা-রূনাহূ‘আলা-মা-ইয়ারা-।
তোমরা কি তবে তাঁর সঙ্গে বিতর্ক করবে যা তিনি দেখেছেন সে-সন্বন্ধে?
وَلَقَدۡ رَاٰهُ نَزۡلَةً اُخۡرٰىۙ
ওয়া লাকাদ রাআ-হু নাঝলাতান উখরা-।
আর তিনি নিশ্চয়ই তাঁকে দেখেছিলেন অন্য এক অবতরণে --
عِنۡدَ سِدۡرَةِ الۡمُنۡتَهٰى
‘ইনদা ছিদ রাতিল মুনতাহা-।
দূরদিগন্তের সিদরাহ্-গাছের কাছে,
عِنۡدَهَا جَنَّةُ الۡمَاۡوٰىؕ
‘ইনদাহা-জান্নাতুল মা’ওয়া-।
তার কাছে আছে চির-উপভোগ্য উদ্যান।
اِذۡ يَغۡشَى السِّدۡرَةَ مَا يَغۡشٰىۙ
ইয ইয়াগশাসসিদরাতা মা -ইয়াগশা-।
দেখো! যা আচ্ছাদন করে তা ঢেকে দিয়েছিল সিদরাহ্-গাছকে,
مَا زَاغَ الۡبَصَرُ وَمَا طَغٰى
মা-যা-গাল বাসারু ওয়ামা-তাগা-।
দৃষ্টি বিভ্রান্ত হয় নি এবং তা সীমা ছাড়িয়েও যায় নি।
لَقَدۡ رَاٰى مِنۡ اٰيٰتِ رَبِّهِ الۡكُبۡرٰى
লাকাদ রাআ-মিন আ-য়া-তি রাব্বিহিল কুবরা-।
তিনি নিশ্চয়ই তাঁর প্রভুর শ্রেষ্ঠ নিদর্শনগুলোর মধ্যে চেয়ে দেখেছিলেন।
اَفَرَءَيۡتُمُ اللّٰتَ وَالۡعُزّٰىۙ
আফারাআইতুমুল্লা-তা ওয়াল ‘উঝঝা-।
তোমরা কি তবে ভেবে দেখেছ লাত ও 'উযযা,
وَمَنٰوةَ الثَّالِثَةَ الۡاُخۡرٰى
ওয়া মানা-তাছছা-লিছাতাল উখরা-।
এবং মানাত, -- তৃতীয় আরেকটি?
اَلَـكُمُ الذَّكَرُ وَلَهُ الۡاُنۡثٰى
আলাকুমুযযাকারু ওয়ালাহুল উনছা-।
তোমাদের জন্য পুত্রসন্তান আর তাঁর জন্য কন্যা!
تِلۡكَ اِذًا قِسۡمَةٌ ضِيۡزٰى
তিলকা ইযান কিছমাতুন দীঝা-।
এ তো বড়ই অসংগত বন্টন!
اِنۡ هِىَ اِلَّاۤ اَسۡمَآءٌ سَمَّيۡتُمُوۡهَاۤ اَنۡتُمۡ وَاٰبَآؤُكُمۡ مَّاۤ اَنۡزَلَ اللّٰهُ بِهَا مِنۡ سُلۡطٰنٍؕ اِنۡ يَّتَّبِعُوۡنَ اِلَّا الظَّنَّ وَمَا تَهۡوَى الۡاَنۡفُسُۚ وَلَقَدۡ جَآءَهُمۡ مِّنۡ رَّبِّهِمُ الۡهُدٰىؕ
ইন হিয়া ইল্লাআছমাউন ছাম্মাইতুমূহাআনতুম ওয়া আ-বাউকুম মাআনঝালাল্লা-হু বিহা-মিন ছুলতা-নিন ইয়ঁইয়াত্তাবি‘ঊনা ইল্লাজ্জান্না ওয়ামা-তাহওয়াল আনফুছু ওয়া লাকাদ জাআহুম মিররাব্বিহিমুল হুদা-।
তারা নামাবলী বৈ তো নয়, যা তোমরা নামকরণ করেছ -- তোমরা ও তোমাদের পূর্বপুরুষরা, যাদের জন্য আল্লাহ্ কোনো সনদ পাঠান নি। তারা তো শুধু অনুমানের এবং যা তাদের অন্তর কামনা করে তারই অনুসরণ করে। অথচ তাদের প্রভুর কাছ থেকে তাদের কাছে পথনির্দেশ অবশ্যই এসে গেছে।
اَمۡ لِلۡاِنۡسَانِ مَا تَمَنّٰى ۖ
আম লিলইনছা-নি মা-তামান্না-।
অথবা মানুষের জন্য কি তাই থাকবে যা সে কামনা করে?
فَلِلّٰهِ الۡاٰخِرَةُ وَالۡاُوۡلٰى
ফালিল্লা-হিল আ-খিরাতুওয়াল উলা-।
কিন্ত শেষটা তো আল্লাহ্র, আর প্রথমটাও।
وَكَمۡ مِّنۡ مَّلَكٍ فِى السَّمٰوٰتِ لَا تُغۡنِىۡ شَفَاعَتُهُمۡ شَيۡــًٔــا اِلَّا مِنۡۢ بَعۡدِ اَنۡ يَّاۡذَنَ اللّٰهُ لِمَنۡ يَّشَآءُ وَيَرۡضٰى
ওয়াকাম মিম মালাকিন ফিছ ছামা-ওয়া-তি লা-তুগনী শাফা-‘আতুহুম শাইআন ইল্লা-মিম বা‘দিআইঁ ইয়া’যানাল্লা-হু লিমাইঁ ইয়াশাউ ওয়া ইয়ারদা-।
আর মহাকাশমন্ডলে কত যে ফিরিশ্তা রয়েছে যাদের সুপারিশ কোনো কাজে আসবে না যতক্ষণ না আল্লাহ্ অনুমতি দেন তার জন্য যাকে তিনি ইচ্ছা করেন ও তিনি সন্তষ্ট হয়েছেন।
اِنَّ الَّذِيۡنَ لَا يُؤۡمِنُوۡنَ بِالۡاٰخِرَةِ لَيُسَمُّوۡنَ الۡمَلٰٓٮِٕكَةَ تَسۡمِيَةَ الۡاُنۡثٰى
ইন্নাল্লাযীনা লা- ইউ’মিনূনা বিলআ-খিরাতি লাইউছাম্মূনাল মালাইকাতা তাছমিয়াতাল উনছা-
নিঃসন্দেহ যারা পরকালে বিশ্বাস করে না তারা ফিরিশ্তাদের নাম দেয় মেয়েদের নামে।
وَمَا لَهُمۡ بِهٖ مِنۡ عِلۡمٍؕ اِنۡ يَّتَّبِعُوۡنَ اِلَّا الظَّنَّۚ وَاِنَّ الظَّنَّ لَا يُغۡنِىۡ مِنَ الۡحَـقِّ شَيۡـًٔـاۚ
ওয়ামা-লাহুম বিহী মিন ‘ইলমিন ইয়ঁইয়াত্তাবি‘ঊনা ইল্লাজ্জান্না ওয়া ইন্নাজ্জান্না লাইউগনী মিনাল হাক্কিশাইআ-।
আর এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তারা তো অনুমানেরই অনুসরণ করছে, আর নিঃসন্দেহ সত্যের বিরুদ্ধে অনুমানে কোনো লাভ হয় না।
فَاَعۡرِضۡ عَنۡ مَّنۡ تَوَلّٰى ۙ عَنۡ ذِكۡرِنَا وَلَمۡ يُرِدۡ اِلَّا الۡحَيٰوةَ الدُّنۡيَا ؕ
ফাআ‘রিদ‘আম্মান তাওয়াল্লা- ‘আন যিকরিনা-ওয়া লাম ইউরিদ ইল্লাল হায়াতাদ্দুনইয়া-।
সেজন্য তাকে উপেক্ষা করো যে আমাদের উপদেশ থেকে ফিরে যায় আর দুনিয়ার জীবন ছাড়া আর কিছু চায় না।
ذٰ لِكَ مَبۡلَـغُهُمۡ مِّنَ الۡعِلۡمِ ؕ اِنَّ رَبَّكَ هُوَ اَعۡلَمُ بِمَنۡ ضَلَّ عَنۡ سَبِيۡلِهٖ ۙ وَهُوَ اَعۡلَمُ بِمَنِ اهۡتَدٰى
যা-লিকা মাবলাগুহুম মিনাল ‘ইলমি ইন্না রাব্বাকা হুওয়া আ‘লামুবিমান দাল্লা ‘আন ছাবীলিহী ওয়া হুওয়া আ‘লামুবিমানিহতাদা-।
এইটিই তাদের জ্ঞানের শেষসীমা। নিঃসন্দেহ তোমার প্রভু -- তিনিই ভাল জানেন তাকে যে তার পথ থেকে ভ্রষ্ট হয়েছে, আর তিনিই ভাল জানেন যে সৎপথপ্রাপ্ত।
وَلِلّٰهِ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الۡاَرۡضِۙ لِيَجۡزِىَ الَّذِيۡنَ اَسَآءُوۡا بِمَا عَمِلُوۡا وَيَجۡزِىَ الَّذِيۡنَ اَحۡسَنُوۡا بِالۡحُسۡنٰى ۚ
ওয়া লিল্লা-হি মা-ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়ামা-ফিল আরদি লিইয়াজঝিইয়াল্লাযীনা আছাউ বিমা-‘আমিলূওয়া ইয়াজঝিইয়াল্লাযীনা আহছানূবিলহুছনা-।
আর মহাকাশমন্ডলে যা-কিছু আছে এবং যা-কিছু আছে পৃথিবীতে তা আল্লাহ্রই, যেন যারা মন্দ কাজ করেছে তাদের তিনি প্রতিফল দিতে পারেন যা তারা করেছে সেজন্য, আর যারা সৎকাজ করেছে তাদের তিনি ভালভাবে প্রতিদান দিতে পারেন।
اَلَّذِيۡنَ يَجۡتَنِبُوۡنَ كَبٰٓٮِٕرَ الۡاِثۡمِ وَالۡفوَاحِشَ اِلَّا اللَّمَمَؕ اِنَّ رَبَّكَ وَاسِعُ الۡمَغۡفِرَةِؕ هُوَ اَعۡلَمُ بِكُمۡ اِذۡ اَنۡشَاَكُمۡ مِّنَ الۡاَرۡضِ وَاِذۡ اَنۡتُمۡ اَجِنَّةٌ فِىۡ بُطُوۡنِ اُمَّهٰتِكُمۡۚ فَلَا تُزَكُّوۡۤا اَنۡفُسَكُمۡ ؕ هُوَ اَعۡلَمُ بِمَنِ اتَّقٰى
আল্লাযীনা ইয়াজতানিবূনা কাবাইরালইছমি ওয়ালফাওয়া-হিশা ইল্লাল লামামা ইন্না রাব্বাকা ওয়া-ছি‘উল মাগফিরাতি হুওয়া আ‘লামুবিকুম ইয আনশাআকুম মিনাল আরদি ওয়া ইয আনতুম আজিন্নাতুন ফী বুতূনি উম্মাহা-তিকুম ফালা-তুঝাক্কুআনফুছাকুম হুওয়া আ‘লামুবিমানিত্তাকা-।
যারা বর্জন করে বড় বড় পাপাচার ও অশ্লীল কাজ -- মুখোমুখি হওয়া ভিন্ন -- তোমার প্রভু পরিত্রাণে নিশ্চয়ই অপরিসীম। তিনি তোমাদের ভালো জানেন যখন থেকে তিনি তোমাদের সৃষ্টির সূচনা করেছেন মাটি থেকে, আর যখন তোমরা ছিলে তোমাদের মায়ের পেটে ভ্রণরূপে। অতএব তোমরা তোমাদের নিজেদের গুণগান করো না। তিনিই ভালো জানেন তাকে যে ধর্মভীরুতা অবলন্বন করে।
اَفَرَءَيۡتَ الَّذِىۡ تَوَلّٰىۙ
আফারাআইতাল্লাযী তাওয়াল্লা-।
তুমি কি তবে তাকে দেখেছ যে ফিরে যায়,
وَاَعۡطٰى قَلِيۡلًا وَّاَكۡدٰى
ওয়া আ‘তা-কালীলাওঁ ওয়া আকদা-।
আর যৎসামান্য দান করে এবং নির্দয়তা দেখায়?
اَعِنۡدَهٗ عِلۡمُ الۡغَيۡبِ فَهُوَ يَرٰى
আ ‘ইনদাহূ‘ইলমুল গাইবি ফাহুওয়া ইয়ারা-।
তার কাছে কি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞান রয়েছে ফলে সে দেখত পাচ্ছে?
اَمۡ لَمۡ يُنَبَّاۡ بِمَا فِىۡ صُحُفِ مُوۡسٰىۙ
আম লাম ইউনাব্বা’ বিমা-ফী সুহুফি মুছা-।
অথবা তাকে কি সংবাদ দেওয়া হয় নি মূসার গ্রন্থে যা আছে সে-সন্বন্ধে,
وَاِبۡرٰهِيۡمَ الَّذِىۡ وَفّٰىٓ ۙ
ওয়া ইবরা-হীমাল্লাযী ওয়াফফা।
এবং ইব্রাহীম সন্বন্ধে যিনি সম্পূর্ণরূপে প্রতিপালন করেছিলেন --
اَلَّا تَزِرُ وَازِرَةٌ وِّزۡرَ اُخۡرٰىۙ
আল্লা-তাঝিরু ওয়া-ঝিরাতুওঁবিঝরা উখরা-।
যথা কোনো ভারবাহী অন্যের বোঝা বহন করবে না,
وَاَنۡ لَّيۡسَ لِلۡاِنۡسَانِ اِلَّا مَا سَعٰىۙ
ওয়াআল লাইছা লিলইনছা-নি ইল্লা-মা-ছা‘আ-।
আর এই যে মানুষের জন্য কিছুই থাকবে না যার জন্য সে চেষ্টা না ক’রে,
وَاَنَّ سَعۡيَهٗ سَوۡفَ يُرٰى
ওয়া আন্না ছা‘ইয়াহূছাওফা ইউরা-।
আর এই যে, তার প্রচেষ্টা অচিরেই দৃষ্টিগোচর হবে,
ثُمَّ يُجۡزٰٮهُ الۡجَزَآءَ الۡاَوۡفٰىۙ
ছু ম্মা ইউজঝা-হুল জাঝাআল আওফা-।
তারপর তাকে প্রতিদান দেওয়া হবে পরিপূর্ণ প্রতিদানে,
وَاَنَّ اِلٰى رَبِّكَ الۡمُنۡتَهٰىۙ
ওয়া আন্না ইলা-রাব্বিকাল মুনতাহা-।
আর এই যে, তোমার প্রভুর দিকেই হচ্ছে শেষ-সীমা,
وَاَنَّهٗ هُوَ اَضۡحَكَ وَاَبۡكٰىۙ
ওয়া আন্নাহূহুওয়া আদহাকা ওয়া আবকা-।
আর এই যে, তিনিই হাসান আর তিনিই কাঁদান,
وَاَنَّهٗ هُوَ اَمَاتَ وَ اَحۡيَا ۙ
ওয়া আন্নাহূহুওয়া আমা-তা ওয়া আহইয়া-।
আর এই যে, তিনিই মারেন ও তিনিই বাঁচান।
وَاَنَّهٗ خَلَقَ الزَّوۡجَيۡنِ الذَّكَرَ وَالۡاُنۡثٰىۙ
ওয়া আন্নাহূখালাকাঝ ঝাওজাইনিযযাকারা ওয়াল উনছা-।
আর এই যে, তিনিই সৃষ্টি করেছেন জোড়ায়-জোড়ায় নর ও নারী, --
مِنۡ نُّطۡفَةٍ اِذَا تُمۡنٰى
মিন নুতফাতিন ইযা-তুমনা।
শুক্রকীট থেকে যখন তাকে বিন্যাস করা হয়,
وَاَنَّ عَلَيۡهِ النَّشۡاَةَ الۡاُخۡرٰىۙ
ওয়া আন্না ‘আলাইহিন্নাশআতাল উখরা-।
আর এই যে, তাঁর উপরেই রয়েছে পুনরায় উত্থানের দায়িত্ব,
وَاَنَّهٗ هُوَ اَغۡنٰى وَ اَقۡنٰىۙ
ওয়া আন্নাহূহুওয়া আগনা-ওয়া আকনা-।
আর এই যে, তিনিই ধনদৌলত দেন ও সুখ-সমৃদ্ধি প্রদান করেন,
وَاَنَّهٗ هُوَ رَبُّ الشِّعۡرٰىۙ
ওয়া আন্নাহূহুওয়া রাব্বুশ শি‘রা-।
আর এই যে, তিনিই শি'রা নক্ষত্রের প্রভু,
وَاَنَّهٗۤ اَهۡلَكَ عَادَا۟ اۨلۡـٮُٔـوْلٰى ۙ
ওয়া আন্নাহূআহলাকা ‘আ-দানিল ঊলা-।
আর এই যে, তিনিই ধ্বংস করেছিলেন প্রাচীনকালের 'আদ-জাতিকে,
وَثَمُوۡدَا۟ فَمَاۤ اَبۡقٰىۙ
ওয়া ছামূদা ফামাআবকা-।
আর ছামূদ-জাতিও, তাই তিনি বাকী রাখেন নি,
وَقَوۡمَ نُوۡحٍ مِّنۡ قَبۡلُؕ اِنَّهُمۡ كَانُوۡا هُمۡ اَظۡلَمَ وَاَطۡغٰىؕ
ওয়া কাওমা নূহিম মিন কাবলু ইন্নাহুম কা-নূহুম আজলামা ওয়া আতগা-।
আর নূহ-এর লোকদলও এর আগে। নিঃসন্দেহ তারা ছিল -- তারাই তো ছিল অত্যন্ত অত্যাচারী ও বেজায় অবাধ্য।
وَالۡمُؤۡتَفِكَةَ اَهۡوٰىۙ
ওয়াল মু’তাফিকাতা আহওয়া-।
আর উলটে ফেলা শহরগুলো -- তিনি ধ্বংস করেছিলেন,
فَغَشّٰٮهَا مَا غَشّٰىۚ
ফাগাশশা-হা-মা-গাশশা-।
ফলে তাদের তিনি ঢেকে দিয়েছিলেন যা ঢেকে দেয়।
فَبِاَىِّ اٰلَاۤءِ رَبِّكَ تَتَمَارٰى
ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকা তাতামা-রা-।
অতএব তোমার প্রভুর কোন অনুগ্রহ সম্পর্কে তুমি বাদানুবাদ করবে?
هٰذَا نَذِيۡرٌ مِّنَ النُّذُرِ الۡاُوۡلٰٓى
হা-যা-নাযীরুম মিনান নুযুরিল ঊলা-।
প্রাচীনকালের সতর্ককারীদের মধ্যে থেকে ইনি হচ্ছেন একজন সতর্ককারী।
اَزِفَتِ الۡاٰزِفَةُۚ
আ-ঝিফাতিল আ-ঝিফাহ।
আসন্ন ঘটনা সমাগত,
لَيۡسَ لَهَا مِنۡ دُوۡنِ اللّٰهِ كَاشِفَةٌ ؕ
লাইছা লাহা-মিন দূনিল্লা-হি কা-শিফাহ।
এটি দূর করবার মতো আল্লাহ্ ছাড়া আর কেউ নেই।
اَفَمِنۡ هٰذَا الۡحَدِيۡثِ تَعۡجَبُوۡنَۙ
আফামিন হা-যাল হাদীছিতা‘জাবূন।
এই বিবৃতিতে তোমরা কি তাজ্জব হচ্ছ?
وَتَضۡحَكُوۡنَ وَلَا تَبۡكُوۡنَۙ
ওয়া তাদহাকূনা ওয়ালা-তাবকূন।
আর তোমরা কি হাসছ, তোমরা কি আর কাঁদবে না?
وَاَنۡتُمۡ سٰمِدُوۡنَ
ওয়া আনতুম ছা-মিদূন।
আর তোমরা তো হেলাফেলা করছ।
فَاسۡجُدُوۡا لِلّٰهِ وَاعۡبُدُوۡا ۩
ফাছজূদূলিল্লা-হি ওয়া‘বুদূ। (সিজদা-১৩)
অতএব আল্লাহ্র প্রতি সিজদা করো এবং উপাসনা করো।