লোড হচ্ছে…
লোড হচ্ছে…
القيامة
পুনরুত্থান (Al-Qiyamah) · ৪০ আয়াত · মক্কী
﷽
لَاۤ اُقۡسِمُ بِيَوۡمِ الۡقِيٰمَةِۙ
লাউকছিমুবিইয়াওমিল কিয়া-মাহ ।
না, আমি শপথ করছি কিয়ামতের দিনের।
وَلَاۤ اُقۡسِمُ بِالنَّفۡسِ اللَّوَّامَةِؕ
ওয়ালাউকছিমুবিন্নাফছিল লাওওয়া-মাহ।
আর না, আমি শপথ করছি আত্মসমালোচনাপরায়ণ আত্মার।
اَيَحۡسَبُ الۡاِنۡسَانُ اَلَّنۡ نَّجۡمَعَ عِظَامَهٗؕ
আ ইয়াহছাবুল ইনছা-নুআল্লান নাজমা‘আ ‘ইজা-মাহ।
মানুষ কি মনে করে যে আমরা কখনো তার হাড়গোড় একত্রিত করব না?
بَلٰى قٰدِرِيۡنَ عَلٰٓى اَنۡ نُّسَوِّىَ بَنَانَهٗ
বালা-কা-দিরীনা ‘আলাআন নুছাওবিয়া বানা-নাহ।
হাঁ, আমরা তার আঙুলগুলো পর্যন্ত পুনর্বিন্যস্ত করতে সক্ষম।
بَلۡ يُرِيۡدُ الۡاِنۡسَانُ لِيَفۡجُرَ اَمَامَهٗۚ
বাল ইউরীদুল ইনছা-নুলিইয়াফজুরা আমা-মাহ।
তবুও মানুষ চায় যা তার সামনে রয়েছে তা অস্বীকার করতে।
يَسۡـَٔـلُ اَيَّانَ يَوۡمُ الۡقِيٰمَةِؕ
ইয়াছআলুআইইয়া-না ইয়াওমুল কিয়া-মাহ।
সে প্রশ্ন করে -- ''কখন কিয়ামতের দিন আসবে?’’
فَاِذَا بَرِقَ الۡبَصَرُۙ
ফাইযা-বারিকাল বাসার।
কিন্ত যখন দৃষ্টি দিশাহারা হয়ে যাবে,
وَخَسَفَ الۡقَمَرُۙ
ওয়া খাছাফাল কামার।
আর চন্দ্র হবে অন্ধকারাচ্ছন্ন,
وَجُمِعَ الشَّمۡسُ وَالۡقَمَرُۙ
ওয়া জুমি‘আশশামছুওয়াল কামার।
আর সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে,
يَقُوۡلُ الۡاِنۡسَانُ يَوۡمَٮِٕذٍ اَيۡنَ الۡمَفَرُّ ۚ
ইয়াকূ লুল ইনছা-নুইয়াওমাইযিন আইনাল মাফার।
মানুষ সেইদিন বলবে -- ''কোথায় পালানোর স্থান?’’
كَلَّا لَا وَزَرَؕ
কাল্লা-লা- ওয়াঝার।
কিছুতেই না, কোনো আশ্রয়স্থল নেই।
اِلٰى رَبِّكَ يَوۡمَٮِٕذِ اۨلۡمُسۡتَقَرُّ ؕ
ইলা-রাব্বিকা ইয়াওমাইযিনিল মুছতাকার।
সেদিন ঠাই হবে কেবল তোমার প্রভুর নিকটেই।
يُنَبَّؤُا الۡاِنۡسَانُ يَوۡمَٮِٕذٍۢ بِمَا قَدَّمَ وَاَخَّرَؕ
ইউনাব্বাউল ইনছা-নুইয়াওমাইযিম বিমা-কাদ্দামা ওয়া আখখার।
মানুষকে সেইদিন জানানো হবে কী সে আগবাড়িয়েছে এবং সে ফেলে রেখেছে।
بَلِ الۡاِنۡسَانُ عَلٰى نَفۡسِهٖ بَصِيۡرَةٌ ۙ
বালিল ইনছা-নু‘আলা- নাফছিহী বাসীরাহ।
বস্তুত মানুষ তার নিজের সত্ত্বা সন্বন্ধে চক্ষুষ্মান,
وَّلَوۡ اَلۡقٰى مَعَاذِيۡرَهٗؕ
ওয়া লাও আলকা- মা‘আ-যীরাহ।
যদিও সে তার অজুহাত দেখায়।
لَا تُحَرِّكۡ بِهٖ لِسَانَكَ لِتَعۡجَلَ بِهٖؕ
লা-তুহাররিক বিহী লিছা-নাকা লিতা‘জালা বিহ।
এর দ্বারা তোমার জিহবা নাড়াচাড়া করো না একে ত্বরান্বিত করতে।
اِنَّ عَلَيۡنَا جَمۡعَهٗ وَقُرۡاٰنَهٗۚ ۖ
ইন্না ‘আলাইনা-জাম‘আহূওয়া কুরআ-নাহ ।
নিঃসন্দেহ আমাদের উপরেই রয়েছে এর সংগ্রহের ও এর পাঠ করানোর দায়িত্ব।
فَاِذَا قَرَاۡنٰهُ فَاتَّبِعۡ قُرۡاٰنَهٗۚ
ফাইযা- কারা’না-হু ফাত্তাবি‘ কুরআ-নাহ।
সুতরাং যখন আমরা তা পাঠ করি তখন তুমি তার পঠন অনুসরণ করো,
ثُمَّ اِنَّ عَلَيۡنَا بَيَانَهٗؕ
ছু ম্মা ইন্না ‘আলাইনা-বায়া-নাহ।
তারপর নিশ্চয় আমাদেরই উপরে রয়েছে এর ব্যাখ্যাকরণ।
كَلَّا بَلۡ تُحِبُّوۡنَ الۡعَاجِلَةَ ۙ
কাল্লা-বাল তুহিববূনাল ‘আ-জিলাহ।
না, তোমরা কিন্তু ভালবাস ক্ষণস্থায়ী,
وَتَذَرُوۡنَ الۡاٰخِرَةَ ؕ
ওয়া তাযারূনাল আ-খিরাহ।
আর অবহেলা কর পরকালকে।
وُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍ نَّاضِرَةٌ ۙ
উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিন না- দিরাহ।
সেদিন কতকগুলো মুখ হবে উজ্জ্বল, --
اِلٰى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ۚ
ইলা-রাব্বিহা-না-জিরাহ।
তাদের প্রভুর দিকে চেয়ে থাকবে,
وَوُجُوۡهٌ يَّوۡمَٮِٕذٍۢ بَاسِرَةٌ ۙ
ওয়া উজূহুইঁ ইয়াওমাইযিম বা-ছিরাহ।
আর কতকগুলো মুখ সেইদিন বিবর্ণ হয়ে যাবে, --
تَظُنُّ اَنۡ يُّفۡعَلَ بِهَا فَاقِرَةٌ ؕ
তাজুন্নুআইঁ ইউফ‘আলা বিহা-ফা-কিরাহ।
এই ভেবে যে কোনো বিধ্বংসী বিপর্যয় তাদের উপরে পড়তে যাচ্ছে।
كَلَّاۤ اِذَا بَلَغَتِ التَّرَاقِىَۙ
কাল্লাইযা-বালাগাতিত্তারা-কী।
না, যখন এটি গলায় এসে পৌঁছুবে,
وَقِيۡلَ مَنۡ رَاقٍۙ
ওয়া কীলা মান রা-ক।
এবং বলা হবে -- ''কে সেই জাদুকর?’’
وَّظَنَّ اَنَّهُ الۡفِرَاقُۙ
ওয়া জান্না আন্নাহুল ফিরা-ক।
আর সে বুঝতে পারে যে, এ হচ্ছে বিদায় বেলা,
وَالۡتَفَّتِ السَّاقُ بِالسَّاقِۙ
ওয়াল তাফফাতিছছা-কুবিছছা-ক।
এবং এক পায়ের হাড় অন্য পায়ের হাড়ে ঠোকর খেতে থাকবে,
اِلٰى رَبِّكَ يَوۡمَٮِٕذِ اۨلۡمَسَاقُؕ
ইলা-রাব্বিকা ইয়াওমাইযিনিল মাছা-ক।
তোমার প্রভুর দিকেই সেইদিন হবে চালিয়ে নেওয়া।
فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلّٰىۙ
ফালা- সাদ্দাকা ওয়ালা- সাল্লা- ।
সে তো সত্যনিষ্ঠ ছিল না, আর নামাযও পড়ে নি,
وَلٰڪِنۡ كَذَّبَ وَتَوَلّٰىۙ
ওয়া লা- কিন কাযযাবা ওয়া তাওয়াল্লা- ।
বরং সে সত্যপ্রত্যাখ্যান করেছিল এবং ফিরে এসেছিল,
ثُمَّ ذَهَبَ اِلٰٓى اَهۡلِهٖ يَتَمَطّٰىؕ
ছু ম্মা যাহাবা ইলাআহলিহী ইয়াতামাত্তা- ।
তারপর সে তার স্বজনগণের কাছে গিয়েছিল গর্ব করতে করতে।
اَوۡلٰى لَكَ فَاَوۡلٰىۙ
আওলা-লাকা ফাআওলা- ।
''তুমি নিপাত যাও! তবে নিপাত যাও!
ثُمَّ اَوۡلٰى لَكَ فَاَوۡلٰىؕ
ছু ম্মা আওলা- লাকা ফাআওলা- ।
''আবার তুমি নিপাত যাও, ফলে নিপাত যাও!’’
اَيَحۡسَبُ الۡاِنۡسَانُ اَنۡ يُّتۡرَكَ سُدًىؕ
আ ইয়াহছাবুল ইনছা-নুআইঁ ইউতরাকা ছুদা- ।
মানুষ কি ভাবে যে তাকে ছেড়ে দেয়া হবে বাঁধনছাড়াভাবে?
اَلَمۡ يَكُ نُطۡفَةً مِّنۡ مَّنِىٍّ يُّمۡنٰىۙ
আলাম ইয়াকুনুতফাতাম মিম মানিইয়িইঁ ইউমনা- ।
সে কি ছিল না এক শুক্রকীট এক সবেগে নির্গত স্খলনের মধ্যেকার?
ثُمَّ كَانَ عَلَقَةً فَخَلَقَ فَسَوّٰىۙ
ছু ম্মা কা-না ‘আলাকাতান ফাখালাকা ফাছাওয়া-।
তারপর সে হলো একটি রক্তপিন্ড, তারপর তিনি আকৃতি দান করলেন ও পূর্ণাঙ্গ করলেন।
فَجَعَلَ مِنۡهُ الزَّوۡجَيۡنِ الذَّكَرَ وَالۡاُنۡثٰىؕ
ফাজা‘আলা মিনহুঝঝাওজাইনিযযাকারা ওয়াল উনছা- ।
তারপর তিনি তা হতে সৃষ্টি করলেন তার যুগল -- পুরুষ ও নারী।
اَلَيۡسَ ذٰلِكَ بِقٰدِرٍ عَلٰٓى اَنۡ يُّحۡـىِۦَ الۡمَوۡتٰى
আলাইছা যা- লিকা বিকা-দিরিন ‘আলাআইঁ ইউ হইয়াল মাওতা- ।
তবুও কি তিনি ক্ষমতাবান নন মৃতকে পুনর্জীবিত করতে?